নীলফামারীতে গৃহবধুকে ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ছবি ফেসবুকে আপলোড -লোকলজ্জার ভয়ে একঘরে রয়েছে পুরো পরিবার

0
38

 নীলফামারী থেকে মোঃ রাশেদুল ইসলামঃ  নীলফামারীতে গৃহবধুকে ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ছবি ফেসবুকে আপলোড,ধরা ছোঁয়ার বাইরে আপলোডকারী। নীলফামারীতে গৃহবধু ইলাবতীকে (ছদ্দনাম) ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ছবি ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড করার ঘটনায় লোকলজ্জার ভয়ে একঘরে রয়েছে পুরো পরিবার। ধরা ছোঁয়ার বাইরে ফেসবুকে আপলোডকারী মমতাজুল ইসলাম। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মমতাজুল ইসলাম চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের ঢেঁপড়ডাঙ্গা এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ছদ্দনাম ইলাবতীর স্বামীর সাথে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের খাতিরে প্রায়ই তার বাড়িতে যাওয়া আসা করে মমতাজুল ইসলাম। সুসম্পর্কের একপর্যায়ে গৃহবধুকে ভুলিয়ে ভালিয়ে তার নিজের মোবাইল দিয়ে অশ্লীল ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করে মমতাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে এই ছবিগুলো সমাজে ভাইরাল হলে ইলাবতী ও তার স্বামী সহ পরিবারের উপর সামাজিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। হোটেল শ্রমীক স্বামী লোকলজ্জার ভয়ে কাজে যোগদান করতে পারছে না। অথচ অনায়াসে ঘোরা ঘুরি করছে প্রভাবশালী মমতাজুল ইসলাম। এলাকার সচেতন মহল, ইবনে মিজান সম্রাট, আলমগীর, লিমন, বলেন, ফেসবুকে অশ্লীল ছবি আপলোড করা একটি জঘন্যতম অপরাধ। প্রভাবশালী মমতাজুল ইসলামের দেওয়া তিন থেকে চার লাখ টাকার বিনিময়ে এলাকার মাতব্বর ,ইউপি চেয়ারম্যান, স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নাম মাত্র গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে তাকে বাঁচিয়ে দেওয়ার অপকৌশল চালায়। সেইসাথে এলাকার আবুল খায়ের বিটু নামের একজন মাত্র ষাট থেকে সত্তর হাজার টাকা দিয়ে জোর পূর্বক মিমাংশা হয়েছে মর্মে শালীশি কাগজে স্বাক্ষর নেয় ইলাবতির পরিবারের কাছ থেকে। যার কারণে আজ লজ্জায় একঘরে পুরো পরিবার। নারীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এই সমস্ত লোভী হায়নার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানায় সচেতন এলাকাবাসী। ১ নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লা আল ইমরান বলেন, ফেসবুকে গৃহবধুর অশ্লীল ছবি আপলোড করায় মেয়েটির সম্মান খুন্ন হয়েছে। আর কোন নারীর সম্মান ক্ষুন্ন করতে না পারে তাই মমতাজুল ইসলামের উপযুক্ত শাস্তি কামনা করছি। ২ নং গোড়গ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম বলেন, আমার এলাকার গৃহবধুর ছবি ফেসবুকে আবলোড করার ঘটনার বিষয়টি আমি সদর থানা ওসির কাছ থেকে জানতে পারি এবং তিনি একটি মোবাইল নাম্বার চাইলে আমি ওসিকে নাম্বার দিয়ে সহযোগীতা করি। এরপর কি হয়েছে আমি জানি না। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বিপিএম,পিপিএম বলেন, ফেসবুকে একজন নারীর অশ্লীল ছবি আপলোড করা মারাত্তক অপরাধ। থানায় অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here