“জননেতা ফিরে আসুন জনতার মাঝে”

0
138

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যে মানুষের অন্তর জুড়ে কেবল মানুষের ভালোবাসা বিদ্যমান, যার শব্দ মালায় ধ্বনিত হয় দুঃখি মানুষের আর্তনাদ তিনিই মানবদরদী প্রকৃত মানুষ। এমনি একজন সফল জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, মানবতাবাদী জনপ্রিয় মানুষ নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দননগর ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান তোতা।

যিনি নিজ জীবনের স্বণার্লী দিন গুলো নিস্বার্থভাবে অতিবাহিত করেছেন মানুষের জন্য। তিনি তার জীবনের দীর্ঘসময় চন্দননগর ইউনিয়নের একজন সেবক ও সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সেবায় অতিবাহিত করেছেন।

বাকিঁ জীবনটাও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান এই মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করা সফল মানুষ খালেকুজ্জামান তোতা ছাত্র জীবন থেকেই তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সেই সূত্রেই মানুষের কাছে থেকে মানুষের সেবা করাকেই তার জীবনের মূল কাজে পরিণত করেছেন। দুঃস্থ অসহায় মানুষের কাছে থেকে অনুভব করেন তিনি তাদের কষ্টের আর্তি। জনকল্যাণ মূলক কাজের ভেতর তিনি ভুলে যান নিজের ব্যাক্তি জীবনের কথা। নানা দুর্যোগের সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সাহায্য করেন। সৃষ্টিশীল যে কোন কাজকে জীবনের অন্যতম ব্রত মনে করেন তিনি। তিনি চাইলে উন্নত জীবন যাপনে তার জীবন অতিবাহিত করতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন তার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার আতুর ঘরকে।

তিনি মনে করেন তার ইউনিয়নের জনগণই তার পরিবারের মানুষ। এই করোনা মহামারীর সময় যেখানে অনেক জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে, পরিবারের আপন মানুষ থেকে শুরু করে অনেক ডাক্তার, অনেক রাজনীতিবিদরা মানুষের পাশে না থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে চেষ্টায় ছিলো ঠিক সেইখানে খালেকুজ্জামান তোতা ইউনিয়নে মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখ দুঃখের সাথী হয়েছেন দিনরাত না ভেবে।

তিনি সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি তার নিজস্ব অর্থায়নে রেকর্ড পরিমান উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন তার মাদ্রাসা, মসজিদ, রাস্তা ঘাট, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, শিল্প, সাহিত্য, সাংস্কৃতি, ক্রীড়া অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন তাঁরই প্রচেষ্ঠার ফল। তাঁর জীবনের সকল সফলতার মুলে রয়েছে তাঁর বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য্যর সাথে এগিয়ে চলা, সিদ্ধান্তে অবিচলতা, প্রতিকূলতা মোকাবেলা করার অতুলনীয় শক্তি ও সাহস, জনগণের সঠিক মূল্যায়নের ক্ষমতা, অসীম সাহসীকতা, মানবিকতা, ও আত্মপ্রত্যয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন। অসম্ভব কে সম্ভব করেছেন তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে তিনি একজন সৃজনশীল কর্মীবান্ধব দক্ষ সংগঠক। আওয়ামী ভাবাদর্শের সংগঠগুলোর মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করে সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও কর্মচাঞ্চাল্য ফিরিয়ে আনেন তিনি। কর্মীর প্রতি তাঁর আন্তরিক নির্ভেজাল ভালোবাসাপূর্ণ উৎসর্গ এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। এ জনপ্রতিনিধি ইতিমধ্যে রাজনীতিতে একজন পরিক্ষিত, নিঃস্বার্থবান, ত্যাগী, কর্মপরায়ণ, স্পষ্টবাদী, ব্যাক্তিগত জীবনের একজন সাহসী মানুষ হিসেবে পরিচিত ও সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র, শোষণ মুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক তিনি তার নিজস্ব অর্থায়নে এলাকায় করেছেন অসংখ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। সমাজ সেবক সম্পর্কে বলেন, একজন সফল ও আদর্শবান জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে ইতিমধ্যে প্রমাণিত করেছেন। আমাদের এই ২নং চন্দননগর ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওনার প্রতিদ্বন্দ্বী অনেকে থাকলেও তিনি যে পরিমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছেন তা বিগত কোন জনপ্রতিনিধি তার ধারেকাছেও করতে পারে নাই। শুধু তাই নয় তিনি এলাকায় মাদক নির্মূলে দৃশ্যমান সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষা বিস্তারে নিয়েছেন বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ। রাস্তা-ঘাট অবকাঠামো উন্নয়ন, নালা-নর্দমা সম্প্রসারণ করে জলবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করার পাশাপাশি ময়লা আবর্জনা থেকে সার উৎপাদন প্রক্রিয়াও করেন। করোনাকালে রেকর্ড পরিমান উপহার সামগ্রী বিতরণ করে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছেন। আমরা আশা করছি অতিসত্বর করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং আগামি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের প্রিয় জনপ্রতিনিধিকে আমাদের মাঝে আবারো ফিরিয়ে আনবো দূর হবে অপ-হিংসার রাজনীতি ভরে উঠবে শান্তি শৃঙ্খলায় বন্ধহবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের এক দৃশ্যমান নাটকীয়তা শান্তির নিঃশ্বাসে ভরে উঠবে সারা ইউনিয়ন ইনশাআল্লাহ  এই প্রত্যাশায় রইলাম আমরা চন্দননগর ইউনিয়নবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here