রাজধানীর মিরপুরের ঐতিহ্য রক্ষায় গুলিবিদ্ধ এক আওয়ামী সৈনিক

0
50

ইজাজুলঃ  রাজধানীর ১৪ আসনের উপনির্বাচনে এমপি প্রার্থী শেখ মামুন রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। সামাজিক আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে ভূমিদস্যুতার হাত থেকে রক্ষা করেছেন এখানকার মাটি। এবিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি সংলগ্ন কবর স্থান এর জমি দখল করতে আসছিলো কিছু সংখক সংঘবদ্ধ ভূমি দস্যূ।তাদের উদ্দেশ্য ছিল জমিটি দখল করে প্লট নির্মান করে আবাসন ব্যাবসা করা। আমি শক্তহাতে তা রুখে দেই।আমাকে ৫ টি প্লট ও এক কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আমি তাদের ফাদে পা নাদিলে ভূমি দস্যূরা আমাকে জীবনের হুমকি প্রদান ও মামলা দেয়। সেই মামলায় কেস পার্টনার তৎকালীন সময়ের ১০ নং ওয়ার্ড কমিশনার শাজাহান দেওয়ান।পরে ঐ মামলায় কমিশনার সাহেব আমাকে সর্বাত্বাক সহযোগিতা করেন।আমি সেই সময় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থান সংলগ্ন জলাশয়ের ৭৭ বিঘা জমি সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ইজারাদার ছিলাম। এর পর মিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (সাবেক বেঙ্গলি মিডিয়াম হাই স্কুল) ও উপশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর জমি উদ্ধারের জন্য আমার রয়েছে দুঃসহ যন্ত্রণার স্মৃতি । বর্তমান মুক্তবাংলা ও বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সের তৎকালীন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে স্কুলের জমি দখল করে। সেই স্কুলের জমি উদ্ধারের জন্য ছাত্র- শিক্ষক তথা আমজনতা কে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলি। প্রতিরোধের এক পর্যায় মার্কেট কর্তৃপক্ষ এবং তাদের লালিত সন্ত্রাসীর সংঘর্ষের একপর্যায়ে আমি গুলিবিদ্ধ হই।আমার শরীরে স্প্রিন্টারের গুলি ঢুকে যায়। সেই স্প্রিন্টারের গুলির যন্ত্রণা আজও আমার শরীরে প্রতিমুহুর্তে যন্ত্রণা দেয়। কাজীফুরী প্রাইমারী স্কুলের জমি উদ্ধারেও তার রয়েছে অসাধারণ কৃতিত্ব। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধা মার্কেটকে রক্ষা করার জন্য রয়েছে এক দুঃসহ যন্ত্রণার অভিজ্ঞতা। তৎকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধা সুপার মার্কেটকে দখল করে ভেঙে ফেলার যে নীলনকশা হয়েছিল সেই নীলনকশা ধুলিসাত তথা মার্কেট রক্ষার জন্য হাজার পরিবার যেন তাদের পরিবার পরিজনদের নিয়ে পথে না বসে সেই জন্য আমার নেতৃত্বে সেই দিন ব্যাবসায়ী ভাইদের নিয়ে একত্রিত হয়ে মার্কেট রক্ষা করেছিলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here