বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর কর্মকর্তাদের দুর্নীতি যেনো আকাশ ছোঁয়া-কৃষি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেশের চলমান উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে

0
40

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে। মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মহাপরিচালক তিনটি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এর তিন জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন। গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে। সেবা ও সরবরাহ উইং গবেষণা ও জনবল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে থাকে। এই উইং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংগ্রহের দায়িত্বও পালন করে থাকে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান উৎস কৃষি সেই কৃষির উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা নিরলশ ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অর্থনৈতিক বাজেটের বিশাল বরাদ্দ কৃষি গবেষণা কাজে ব্যবহিত হচ্ছে।

কিন্তু আদতেই কি এই কৃষির উন্নয়ন অবকাঠামো গবেষণা কৃষি খাতকে দেশের অর্থনীতিকে উন্নত করছে? নাকি নানা অনিয়ম আর দূর্নীতির কালো মেঘে ঢাকা পড়ে গেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)।

এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মহলের দৃষ্টিপাত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তা কোন ভাবেই প্রতিকার হয়েছে  বলে মনে হয় না, যে খানে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অবস্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। দেশের অর্থনীতির বিরাট অংশ কৃষির গবেষণা কাজে ব্যবহিত হচ্ছে তা যথার্থ ব্যবহিত হচ্ছে কি না তা দৃষ্টিপাতে লক্ষণীয় এবং জরুরি হয়ে পাড়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বর্তমান মহাপরিচালক ড.নাজিরুল ইসলামের ব ও সহকারী পরিচালক( প্রশাসন) মাহামুদুল হাসান, ড, ইকবাল এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই নানা অনিয়ম অভিযোগের কথা শুনতে পারা যায় যা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। মহাপরিচালক হবার পর থেকেই তিনি নানা ধরনের দূর্নীতি, অনিয়ম এবং জামায়াত বিএনপি পন্থী কর্মকর্তা /বিঙ্গানীদের বিএআরআই এর চাকুরী প্রবিধান মালা লংঘন করে অর্থের বিনিময়ে পদোন্নতি, বদলী, ও বিভিন্ন কেন্দ্র /বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করে যাচ্ছেন। এতে করে দূর্নীতিবাজরা অতি উৎসাহে দূর্নীতি করার সুযোগ পাচ্ছেন আর এই সব দূর্নীতির আশ্রয় দাতা ও মূল হোতা এই ডা. নাজিরুল ইসলাম, মাহামুদুল হাসান ও ড. ইকবাল হোসেন স্বপন। ফলে বিএআরআই-তে গবেষণা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

এই দূর্নীতিবাজ ড. নাজিরুল ইসলামের অযোগ্য নেতৃত্বে সীমাহীন দূর্নীতি বেড়েই চলছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশকে যখন খাদ্য সয়ংসম্পন্ন ও দুর্নীতি মুক্ত করার চ্যালেন্জ হিসেবে নিয়েছেন এসব দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকলে তাহা কখনো সম্ভব হবে না।

জ্যেষ্ঠদের মূলায়ন না করে দূর্নীতি, অনিয়ম করে প্রথিতযশা বিঙানী ও কর্মকর্তাগণ সৎ, যোগ্য ও মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও জুনিয়র জামাত শিবীর ও বিএনপি পন্থীদের অধীনে চাকুরী করে যাচ্ছেন যা রীতিমতো হতাশাব্যঙক।

সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান এর বিরুদ্ধে দুদকে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা থাকা সত্ত্বেও সিনিয়র সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়ার জন্য মহাপরিচালক গত – ০১-০৪-২০২১খ্রি,তারিখে আপ্রান চেষ্টা করেছেন যা সকলের নিকট দৃশ্যমান ছিলো।

এক গোপন সূত্রে জানা যায়, মাহামুদুল হাসান মহাপরিচালককে বলেন যে আমাকে পদন্নোতি দিলে আপনার চাকুরির মেয়াদ ২ বছর বাড়িয়ে দিব এই ব্যাপারে মো,আব্দুল হামিদ মন্ত্রীর উপদেষ্টার সাথে কথা হয়েছে সেখানে ১কোটি ২০লাখ টাকার প্রয়োজন হবে উক্ত টাকা মাহামুদুল হাসান মহাপরিচালক কে ব্যবস্থা করে দেয়ার কথা বলেন।

আরও জানা জায় নাজিরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন স্বপন(এসএসও) ড. দীদার সুলতানা চৈতী, এসএসও,পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন বিভাগ, গাজীপুর এদের ছত্রছায়ায় মাহামুদুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হয়ে একাই প্রশাসনের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রয়েছে। পদগুলো ১.যুগ্ম পরিচালক( প্রশাসন) ২.উপ-পরিচালক প্রশাসন ৩.সিনিয়র সহকারী পরিচালক প্রশাসন ৪.সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)

এভাবে চলতে থাকলে কৃষিখাতে ব্যবহিত অর্থনৈতিক বাজেটের বিশাল বরাদ্দের কোন ছিটেফোঁটাও দেশের চলমান কৃষি উন্নয়নকে উন্নত করতে পরেনা পারেনা দেশের অর্থনীতির অবকাঠামোকে তরান্বিত করতে অতি সত্তর তদন্তের মাধ্যমে  দুর্নীতিবাজদের ব্যবস্থা গ্রহণ হবে একমাত্র সমাধান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here