নিয়ামতপুরে সরকারি পুকুর হইতে মাছ চুরির অভিযোগ

0
18

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৩ নং ভাবিচা ইউনিয়নের আমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুরে রাতের অন্ধকারে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুরটি আমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে বহুবছর পূর্বে খনন করা হয়েছিল উক্ত প্রতিষ্ঠানের পুকুর টি প্রতি বছর লিজ প্রদান করা হয়। লিজকৃত অর্থ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ব্যবহার করা হয় করোনা পরিস্থিতি লকডাউন এবং নানা জটিলতার কারনে পুকুর টি প্রতিষ্ঠানে পক্ষ থেকে ২০২১ অর্থবছর কোন লিজ প্রদান করা না হলে স্হানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি ছাড়াই জোর করে মাছ ছেড়ে দেয়।

গত শনিবার রাত ১.০০ টার দিকে সিদাইন গ্রামের আব্দুল খালেক এর ছেলে শামীম হোসেনের নেতৃত্বে সিদাইন গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে উজ্বল (৩১) লতিফের ছেলে মামুনুর রশীদ( ২৬) আইয়ুব আলীর ছেলে শুভ( ২৫) জানমহাম্মদের ছেলে স্বপন( ২৭) ওসিমদ্দিনের ছেলে মোরশালিন( ২৮) আলতাবের ছেলে রাসেল( ২৬) আইযুলের ছেলে রনি (২২) ও জেলে মোকবুল হোসেন সহ আরও বেশ কয়েকজন মিলে রাতের আঁধারে মাছ ধরে এবং মাছ ভুটভুটিযোগে মান্দা উপজেলার সতিহাট বাজারে নিয়ে গিয়ে আল মদিনা মাছ আড়ৎ ঘরে ৬ মন মাছ বিক্রয় করে, যাহার বাজার মূল্য ২৩৫০০ টাকা।

এ বিষয়ে মূল হুকুমদাতা সামিমের সহিত কথা বললে সামিম প্রতিবেদককে বলেন, অনেক দিন কেউ মাছ না ছাড়ায় আমরা আশেপাশের গ্রামের কিছু ছেলেকে নিয়ে একটা সংগঠন তৈরী করি এবং সবাই মিলে মাছ ছেড়েছিলাম। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমরা কোন লিজ গ্রহণ করিনায়। তবে তাদের মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। এসময় জড়িতদের মধ্যে
উজ্জ্বল নামের একজন বলেন আমরা শামীমের কথায় সায় দিয়েই মাছ ধরি। তার কারনে আমরাও বিপদে পড়ে গেছি সে আমাদের কে বলেছিল কোন সমস্যা নাই উপর মহল কে জানানো হয়েছে যার কারণে আমরা মাছ ধরেছি
আমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃনাল কান্তি সরকার বলেন, লকডাউনের কারনে নিয়মিত স্কুলে যাওয়া হয়নি।

এর মধ্যে কেউ মাছ ছেড়ে থাকলে আমার জানা নেই। আর মাছ মারার বিষয়টি আমাকে স্হানীয় লোকজন জানিয়েছে এভাবে আমার বা উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাছ ছাড়া ও মাছ মারা সম্পূর্ণ বে আইনি মূল অপরাধীদের ব্যবস্থা নেয়া হোক।
ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওবায়দুল হক বলেন, লোকমুখে শুনলাম স্কুলের পুকুরে মাছ চুরি হয়েছে। যারা মাছ চুরি করেছে তাদের আমি চিনি না। এই সমস্ত অন্যায়কে আমি কখনো স্থান দিবনা তিনি আরও বলেন দলের লেবাসে দলের নাম ভেঙ্গে যদি কেউ এ ধরনের কাজ করে থাকে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে তাদের ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হবে না। অপরাধ যারা করেছে অবশ্যই তারা ভুল করেছে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পায় নি। লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here