নিয়ামতপুরে বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ চুরির রহস্য উন্মোচনে আন্তরিক নই-প্রধান শিক্ষক কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা সচেতন মহলের

0
41

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের টি, এলবি মায়া-মারী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রতিষ্ঠানে ব্যবহিত একটি সরকারি ল্যাপটপ চুরির রহস্যময় ঘটনা ঘটে। বিগত ইং-৬/৮/২০২১ তারিখে যাহা বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিতও হয়েছে। তবে সংবাদপত্র থেকে জানা যায় এই রহস্য ময় চুরি নিয়ে প্রধান শিক্ষক তাৎক্ষণিকভাবে থানায় একটা লেখিত অভিযোগও করেছেন যাহা প্রধান শিক্ষক নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি বলেন চুরির বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হলে আমি থানায় লেখিত অভিযোগ করে এসেছি কিন্তু অভিযোগের তদন্ত শেষ না হতেই তিনি আরেকটি সাধারণ ডায়েরী করে আসেন থানায়। বিগত ইং- ১২/৮/২০২১ তারিখে প্রতিবেদক সরেজমিনে অবস্থান করিয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম সারোয়ার নিকট থেকে জানতে পারেন ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমরা পূর্বে কোন লেখিত অভিযোগ করিনায় শুধু মৌখিক ভাবে ওসি সাহেব কে জানানো হয়েছিল তবে আজকে একটি সাধারণ ডায়েরী করে এসেছি যাহার ডায়রী নং-( ৪২৩) এসময় তিনি আরও বলেন গত ইং-৫/০৮/২০২১ তারিখে অফিসের কাজে প্রতিষ্ঠানে আসি কাজ শেষে বিকাল আনুমানিক ৩.০০ঘটিকায় অফিস কক্ষ বন্ধ করিয়া বাড়ি চলিয়া যায় অতঃপর ০৭/০৮/২০২১ তারিখ সকাল আনুমানিক-০.৯০০ ঘটিকার সময় উক্ত স্কুলের পিয়ন আনিছার রহমান তাকে ল্যাপটপ চুরির বিষয়টি জানান, তারপর তিনি বিদ্যালয়ে আসিয়া চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন।
এসময় তিনি প্রতিবেদককে নানন তাল বাহানা এবং দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন উল্লেখ্য তিনি প্রতিবেদককে বিষয়টি নিয়ে নিউজ না করার পরামর্শ দেন । এবং প্রতিবেদককে টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেন যাহা প্রতিবেদকের গোপন ক্যামেরায় সংগ্রহীত।

এসময় স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয়ে কর্মরত নৈশ্য প্রহরী আব্দুল আজিজ (৬৫) কে এবং অফিস সহকারী আনিছার রহমান (৬০) কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি তারা জানান চুরির বিষয়টি ঘটেছে ইং-০৬/০৮/২০২১ তারিখ রোজঃশুক্রবার সন্ধা ৬ ঘটিকা থেকে ৭ ঘটিকার মধ্যে

 

তালা ভাঙ্গার বিষয়টি সর্বপ্রথম দেখতে পান নৈশ্যপ্রহরী আব্দুল আজিজ, তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিদ্যালয় মাঠে সাপ্তাহিক একটি বাজার লাগে বাজারের সময় আমি টাকা আদায় করছিলাম এসময় প্রধান শিক্ষক আমাকে ডেকে ল্যাপটপ চুরি হয়েছে বলে সর্বপ্রথম তিনিই আমাকে জানান, খোদারকসম আমি তাকে জানায়নি এ বিষয় টি প্রথম দেখেছে প্রহরী আজিজ তিনি তাকে মোবাইল ফোনে বিষয় টি জানান, পরে তিনি জানতে পারেন। বিষয় টির সত্যতা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের নৈশ্যপ্রহরী আব্দুল আজিজ কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন প্রতিদিনের মত সে দিনও আমি বিদ্যালয়ে আসি একটু পরেই সন্ধ্যা নামলে লাইট জালিয়ে দিতে হবে বলে এসে দেখি অফিস কক্ষের তালা ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি মোবাইলে হেড স্যারকে বিষয়টি জানায় পরে তিনি বিদ্যালয়ে এসে বিষটির সত্যতা নিশ্চত হয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষক তার লেখিত অভিযোগে বলছেন ঘটনা ঘটেছে ৭ তারিখ সকাল আনুমানিক ০.৯.০০ ঘটিকায় এবং তাহাকে জানিয়েছেন অফিস সহকারী আনিছার রহমান, তাহলে সত্য কি? কেনই বা এই মিথ্যার আশ্রয় কেনই বা তিনি সত্য উন্মোচনে উদাসীন এবং নিরব।

 

সে কারণে জনমনে নানা প্রশ্ন রহস্যময় এই ঘটনার সঠিক তদন্তের কামনা করছে সচেতন মহল।

বিষয় টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহিত মুটফোনে
যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয় টি আমি জানি থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে তদন্তের মাধ্যমে থানা এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আমি কি করতে পারি, পরবর্তী সময় বিষয় টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমানের সহিত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাকে এখনো কোন কিছু জানায়নি তবে আপনাদের মত একজন সাংবাদিকের নিকট থেকেই বিষয় টি আমি জানতে পেরেছি, তদন্ত সাপেক্ষে মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান এ বিষয়ে লেখিত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শিক্ষক তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here