নিয়ামতপুরে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ওঁরাও সম্প্রদায়ের কারাম উৎসব পালিত -ভাষা ও সাংস্কৃতি রক্ষায় ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর কোন বিকল্প নেই–খাদ্যমন্ত্রী

0
4

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নে বুধুড়িয়া নামক স্থানে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ওঁরাও সম্প্রদায়ের কারাম উৎসব পালিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাতি বর্ণ ধর্ম নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে একাত্তরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যরা মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেয়। তাদের সতন্ত্র সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংস্কৃতিতে এটা বৈচিত্র্য যোগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রনালয়ের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মঙ্গলবার নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দন নগর ইউনিয়নের বুধুড়িয়ার লক্ষীডাঙ্গায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কারাম উৎসব’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নৃ-গোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মকে সমাজের মূল স্রোতে আনতে শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, নৃ-গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দকে শিক্ষায় আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেও ভূমিকা রাখতে হবে। কারাম উৎসব ভাতৃত্ববোধ তৈরি ও সুষ্ঠু সংস্কৃতির চর্চায় ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, সংস্কৃতির বিকাশ ও লালনে সরকারের নানামূখী উদ্যোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে এখানকার নৃ-গোষ্ঠীর তরুণ তরুণীদের নিয়ে একটি সাংস্কৃতিকদল গঠন করা হয়েছে। এসময় এ অঞ্চলের নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দেন তিনি।

চন্দন নগর ইউনিয়ন আদিবাসী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি বিশ্ব মিত্র মারডি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: আবুল কালাম আজাদ,পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ঈশ্বর চন্দ্র বর্মন, নিয়ামতপুর আদিবাসী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি বিষদ মনি টপ্প্য, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান বিপ্লব, চন্দন নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান (বদি)

 

দিনব্যাপী কারাম উৎসবে দশটি দল অংশ নেয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব কারাম। ওঁরাওদের গ্রামে গ্রামে কারাম বৃক্ষের (খিলকদম) ডাল পূজাকে কেন্দ্র করে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলনের অংশ হিসেবে কারাম উৎসব উদযাপন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here