চোরাই মোবাইলে ছয়লাপ নিয়ামতপুর”সিন্ডিকেট চক্রের সাথে জড়িত রাজনৈতিক এবং প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ

0
36
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা হলেই সর্বত্র পাওয়া যায় নামি দামি ব্রান্ডের মোবাইল ফোন। নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা সহ আশে পাশের বিভিন্ন টেলিকম দোকান গুলোতে প্রকাশ্যই প্রশাসনের নজর এড়িয়ে বিক্রয় হচ্ছে  চোরাই সিন্ডিকেটের স্মার্ট মোবাইল ফোন, আর এসব চোরা চালান চক্রের  সাথে জড়িত রাজনৈতিক এবং প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ। সরেজমিনে তথ্য নিয়ে দেখা গেছে, নিয়ামতপুর বাজার সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রায় ২৭ টিরও বেশি টেলিকম দোকান গুলোতে প্রকাশ্য বিক্রয় হচ্ছে এই সমস্থ চোরাই সিন্ডিকেটের স্মার্ট ফোন।
এই চোরাচালান চক্রের মূলহুতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকলেও কোন কিছুর তোয়াক্কা করছে না  সিন্ডিকেট চক্র। কারণ তারা অজ্ঞাত নামধারী এবং রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ। বিগত কয়েকদিন পূর্বে নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪২টি স্মার্টফোন সহ চোরাচালান চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করলেও এই সিন্ডিকেট চক্রের দৌরাত্ব্য এখনো থেমে নেই এই অবৈধ  মোবাইল বানিজ্য। আর এই অবৈধ বানিজ্যের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের নাম প্রকাশ করা বড়ই লজ্জাকর এবং প্রাণ সংশয়ের কারণও হতে পারে!! তারা সমাজের ভালো মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকা রাজনৈতিক দূর্বৃত্ত। আর এই দুর্বৃত্তদের কারণেই বিনিষ্ট হচ্ছে যুগ যুগ ধরে কষ্টার্জিত স্বাধীনতা, কলঙ্কিত হচ্ছে দলের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করে যাওয়া মানুষ গুলোর তাই প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চায় এই
চোরাচালান সিন্ডিকেট চক্রের হুতাদের জব্দ করার আগে ভালো মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মুখশ ধারী আশ্রয় এবং প্রশ্রয় দাতাদের জব্দ করা অতিব জরুরী। তথ্য সংগ্রহ এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের লক্ষ্যে প্রতিবেদক নিজেই বেশ কিছু দিন পূর্বে উপজেলার ছাতড়া বাজারে একটি টেলিকম দোকানে উপস্থিত হয় অফিসিয়াল একটি স্মার্টফোন কেনার উদ্দেশ্য।
টেলিকম দোকানের প্রপাইটর হচ্ছে ৩ নং ভাবিচা ইউনিয়নের আসনদী গ্রামের রাইহান এবং মিটন নামের দুই সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য। কথা ছিলো অফিসিয়াল ফোন দেয়ার, কিন্তু স্যামসং এ সেভেন্টি এস, মডেলের একটি অনিবন্ধিত ফোন নিবন্ধিত বলে প্রতিবেদকের কাছে বিক্রয় করেন। পরবর্তী সময়ে ফোনটি সম্পূর্ণ অনিবন্ধিত হিসেবে প্রমানিত হলে এক পর্যায়ে প্রতিবেদক ফোনটি থানায় পাটাতে চাইলে প্রতিবেদকে নানান হুমকির স্বীকার হতে হয়। এবং কয়েক ঘন্টার মধ্যে প্রতিবেদকের নিকট বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের ফোন আসে এবং মোবাইল ফোন টি ঐ সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য রাইহান কে ১০ মিনিটের মধ্যে দিয়ে দেয়ার হুমকি প্রদান করেন।  এ থেকে পরিস্কার এবং নিশ্চিত হওয়া যায় এই চোরাচালন চক্রের সহিত সমাজের কোন শ্রেণির ব্যাক্তিরা জড়িত!! বলতে দিধা নেই তারা কেউ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবার কেউ এমপি, মন্ত্রীদের নাম ভেঙ্গে চলা রাজনৈতিক পরিচয়ধারী লিডার, আবার কেউ রাজনৈতিক পুজীঁবাদি, দলের নাম ব্যবহার কারী, দলের সুবিধা ভোগ কারী, ব্যবসায়ীদের দল।  দলের ছত্রছায়ায়  বসবাস কৃত এই সব দূর্বৃত্তদের কারণেই আজকের সমাজ ব্যবস্থা বড় অসহায় এবং কুলশিত।
আমরা কলম সৈনিক রা প্রতিনিয়ত জীবন সংকটে থাকতে হয়, কখন যানি তাদের ক্ষমতার ধারালো দাত দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেয় বুকের মাঝখানি, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় একটা বিষয় বার বার মনে পড়ে আর ফিরতে পাবো কি বাসায়??  তাই বিনয়ের সাথে বলতে চায় হে মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা  রাজনৈতিক অবিভাবক,উন্নয়নের রুপকার একটি বিষয় শুধু তুলে ধরতে চাই  মির্জাফর, ঘোষেটি, রায়দুল্লভ এরা সকলেই নবাবের কাছের লোক ছিলো তাই অতি বিলম্বিত না করে খুব তাড়াতাড়ি এই সব দূর্বৃত্তদের চিহ্নিত করা অতিব জরুরী এছাড়া সমাজ থেকে এই সব অপরাধ, চোরাচালান সিন্ডিকেট, নির্মূল করা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও পহেলা অক্টোবর থেকে অবৈধ বা অনিবন্ধিত  হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি। এই ধারাবাহিকতায় সারা দেশ সহ নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রতিটি টেলিকম ব্যবসায়ী এবং যে সমস্ত চিহ্নিত স্পটগুলোতে এই অবৈধ হ্যান্ডসেট  বানিজ্য চলছে তাদের আইনের আওতায় আনা অতিব জরুরী।
অবৈধ এবং চোরাচালান সিন্ডিকেট চক্রের বিষয়ে  নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  ওসি হুমায়ূন কবির এর সহিত যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এ ধরনের ব্যাবসা অবশ্যই অবৈধ এতে সরকারের কর ফাঁকি দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছে এসব চক্রের পিছনে প্রশাসন অলরেডি কাজ করছে আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই চক্রগুলোকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here