এ যেনো হলুদের সমারোহ-সরষে ফুলে হলুদ মাট

0
5

আল-আমিনঃ  হেমন্তের শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মাঠে মাঠে হলুদ আভা ছড়াতে শুরু করেছে সরষে ক্ষেত।ক্রমেই হলুদ রঙে অপরূপ হয়ে উঠছে প্রকৃতি। ভোরের বিন্দু বিন্দু শিশিরকণার আস্তরণ পড়েছে হলুদ ফুলের

পাপড়িজুড়ে।শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে শেষ বিকেলের মিষ্টি সোনালি রোদ সরিষা ক্ষেতের উপর মাতাল করা দোলা দেয় তখন চারপাশের প্রকৃতি আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়ে উঠে।শীতের রিক্ততায় সরষে ফুলে হলুদ রং যেন প্রণের স্পন্দন নিয়ে আসে।শীতে সরষে ক্ষেত গ্রাম-বাংলার রুপকে আরও বেশি অপরূপ করে তোলে।তখন যতদূর চোখ যায় তখন কেবল হলুদ আর হলুদ আর কয়দিন পর চোখে পরবে হলুদের সাম্রাজ্য।তবে এখনই মাঠ জুড়ে সে হলুদ আভায় আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছির দল ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে মধু আহরণে।সেই অপরূপ সরষে ফুলের মুগ্ধতা ও দৃশ্যে মন হারিয়ে যাবে যে কারুই।চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন চোখে পড়তে শুরু করেছে হলুদের সাম্রাজ্য। সংশ্লিষ্টরা জানান,এ বছর আবহাওয়া ভালো হওয়ায় সরষে র ফলন অন্যান্য বছরগুলোর চেয়ে ভাল।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,এই এলাকার বেশিরভাগ শস্য ক্ষেতেই এখন সরিষার চাষ হচ্ছে।

সরিষা গাছের হলুদ ফুলে উড়ে বেড়াতে শুরু করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি। বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলার রাজনগর হাঙ্গামী এলাকার মাঠে গিয়ে দেখা যায়,কৃষকরা তাদের ক্ষেতে গিয়ে আগাছা পরিষ্কারে ব্যাস্ত। কৃষকরা বলেন,ধান -সবজির পাশাপাশি এখন প্রতি মৌসুমে সরষে চাষ করছি।তাদের ভাষ্যমতে এক বিঘা জমিতে সরষে চাষ করতে এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা খরচ হয়।

ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি চার থেকে পাঁচ মণ সরষে উৎপাদন সম্ভাব। আর প্রতি মণ সরিষার মূল্য দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।মূলতঃ সরিষা একটি তৈল বিজ জাতীয় অর্থকরী ফসল।কৃষকরা নিজের চাহিদা মিটিয়ে অবশিষ্ট ফসল বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে।সাধারণত বছরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়।সরষের ঝড়ে পড়া পাতা ও ফুল জৈব সার হিসাবে কাজ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here