,


শিরোনাম:
«» বালিয়াডাঙ্গীতে ৫৩ মধ্যে ৪৮ টি ভূমি-গৃহহীন পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার উপলক্ষে ঘর- প্রেস ব্রিফিংয়ে এউএনও «» ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা «» আশুলিয়া থানা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ঠাকুরগাঁওয়ে মুজিববর্ষ ও ঈদ উপহার উপলক্ষে আরও ২৬১২ভূমিহীন পাচ্ছেন জমি ও নতুন ঘর «» আদমদীঘি গৃহ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন «» আদমদীঘিতে ব্রাকের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় নওগাঁর সাপাহারে ৪৫ টি গৃহহীন পরিবার উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং «» মাদ্রাসার এতিম শিশুদের নিয়ে সেভিয়ার ফাউন্ডেশন রাজশাহী ইউনিট এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» কে এই মহা ক্ষমতাধর শলোক মোল্লা- হরিণাকুন্ডুতে সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি,থানায় অভিযোগ দায়েরঃ বিএমএসএস’র পক্ষে নিন্দা, প্রতিবাদ ও গ্রেফতার দাবী «» সাংবাদিক নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে নওগাঁয় বিএমএসএফের মানববন্ধন

সময়ের প্রহর গুনছে নিয়ামতপুরে ৬২ পূজা মন্ডপ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেবী দূর্গার আগমনকে কেন্দ্র করে নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৬২ টি পূজা মন্দির সেজেছে অপরুপ সাজে। শেষ মূহুর্তে চলছে রংয়ের কাজ। কারিগররা আঁচর দিচ্ছে রং দিয়ে নিখুঁত প্রতিমার জন্য। প্রতিমার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে রাতভর কাজ করে যাচ্ছে।
পূজা উদযাপন কমিটির সূত্রে জানা যায়, গতবছর উপজেলার উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ৫৮ টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এ বছর আরও ৪ টি মন্ডপে পূজার প্রস্তুতি নিয়েছেন সনাতন সম্রদায়ের লোকজন। এতে করে উপজেলায় মন্ডপের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২। এর মধ্যে ২০ টি মন্ডপকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্হানীয় প্রশাসন।
গতকাল শনিবার উপজেলা সদরের বালাহৈর গ্রামের মন্ডপে গিয়ে দেখা যায় , প্রতিমার রংয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন মন্ডপের সাজসজ্জার কাজ চলছে। উপজপলার চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মৃৎ শিল্পী আসু বর্মন বলেন, এ বছর ৫ টি প্রতিমার কাজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, পূজার সময় সবাই ব্যস্ত থাকার কারণে অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের কাজ করাতে হচ্ছে।
শিল্পী সুধীর বলেন, এ বছরে ১৪ টি প্রতিমা তৈরি করেছি। মনে আনন্দ লাগে প্রতিমা তৈরির সময়। পূর্ব পুরুষ থেকে এ কাজ করে আসছি। প্রত্যেক মন্ডপের কাজেই শতভাগ উজাড় করে দিচ্ছি। এখন রংয়ের কাজ শেষ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু ইশ্বর চন্দ্র বর্মন বলেন, করনা ভাইরাসের কারণে এ বছর দূর্গাপুজায় বেশ চ্যালেন্জ নিয়ে কাজ করছি। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যেন পূজা শেষ করতে পারি এজন্য উপজেলার সকল মন্ডপের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে।
নিয়ামতপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, পূজা চলাকালীন যেন আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয় সেজন্য পুলিশ সর্তক অবস্থানে রয়েছে। সকল প্রকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ও জেলা থেকে যে সমস্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তার আলোকে কাজ করা হচ্ছে। উপজেলার সকল মন্ডপে সম্প্রদায়ের লোকজন নির্বিঘ্নে আসতে পারে সেজন্য যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ